“লিভার সিরোসিসঃ হেপাটাইটিস -বি ও সি ভাইরাস জনিত একটি মারাত্মক ও অনিরাময়যোগ্য রোগ”

যকৃত বা লিভার মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। যকৃতের মাধ্যমে আমাদের শরীরের অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে দেয় যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু মরণঘ্যাতী লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হলে যকৃত ধীরে ধীরে অকেজো হতে শুরু করে কেননা তখন আর ঠিকভাবে বিপাক ক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পারে না,রক্ত জমাট বাঁধার উপকরণ তৈরি করতে পারে না,খাদ্য ও […]

Continue Reading

।।হৃদরোগ প্রতিরোধে যা করবেন।।

২১ মে ২০১৯ তারিখে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি সংখ্যা অনু্সারে, এদেশে হৃদরোগীর সংখ্যা ২০ বছরে ২০ গুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর হার। আক্রান্তদের মধ্যে নারীর হার বেশি। সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় কর্মক্ষম বয়সে অর্থাৎ তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। কিছু বিষয় যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না, তবে হৃদরোগের জন্য বেশ […]

Continue Reading

।।গ্যাস্টিক এর আদ্যোপান্তঃ কি, কেন, প্রতিকার, প্রতিরোধ।।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা!! কমবেশি সবাই আমারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সঙ্গে পরিচিত। বর্তমানে এটি একটি বহুল পরিচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। খাবারে সামান্য একটু অনিয়ম হলেই শুরু হতে পারে গ্যাস্ট্রিকের মারাত্মক সমস্যা । অনেক সময় অতিরিক্ত অনিয়মে এই সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাই সৃষ্টি করে আলসার।এমনকি হতে পারে ক্যান্সারও। গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার : গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার হল এক ধরণের ক্যান্সার যা পেটে উত্থিত […]

Continue Reading

|| উচ্চরক্তচাপের ভীতি আর নয়||

পৃথিবীতে শুরু থেকে শুরু করে আজ প্রযন্ত যতগুলো রোগ আবিষ্কৃত হয়েছে সেই সকল রোগকে পিছনে ফেলে এগিয়ে আছে উচ্চরক্তচাপ নামের এক জটিল ধরনের রোগ। এই রোগটি শরীরে হয়ে শুধু যে এই রোগের দ্বারা ক্ষতি সাধন করছে তা নয়, বরং এই রোগ শরীরে হয়ে সৃষ্টি করছে ডায়াবেটিস, হৃদরোগসহ আরও অনেক অনেক ধরনের জটিল রোগ কোন একজন রোগীর  ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগ আছে অথচ উচ্চরক্তচাপ নেই তা যেন এক আকাশ  কুসুম কল্পনা।কিন্তু কি এই উচ্চরক্তচাপ আর কেনই বা আমরা এই রোগের রোগী হচ্ছি তা সম্পর্কে সকলের ই জানা দরকার। উচ্চরক্তচাপঃ সাধারণত রক্ত হৃদপিন্ডের সংকোচন  প্রসারণের কারণে রক্তনালির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় রক্তনালির গাত্রে যে চাপ প্রদান করে তাকেই উচ্চরক্তচাপ বলে। সাধারনভাবে, যদি কোনও একজনের হৃদ-সংকোচন বা সিস্টোলিক রক্ত চাপ উভয় বাহুতে ১৪০ মি.মি পারদ অথবা উপরে থাকে (চাপের একটি একক) কিংবা হৃদ-প্রসারণ বা ডায়াস্টলিক চাপ ৯০ মি.মি পারদ অথবা উপরে থাকে,তাহলে তার উচ্চ রক্ত চাপ বলা যেতে পারে।   উচ্চরক্তচাপের কারনঃ কিডনিজনিত রোগঃ সৃষ্ট কারনজনিত উচ্চরক্তচাপের প্রায় ৭৫% কিডনিজনিত রোগে তৈরি।গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস,  পলিআর্টেরাইসিস নভোসা, পলিস্টিটিক কিডনি ডিজিস ইত্যাদি কারনে উচ্চরক্তচাপ হয়। এছাড়াও, সাধারণত মানুষের ৪০ বছরের পর থেকে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে যদি অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা পরিবারে কারও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম না করলে,মানসিক চাপে থাকলে প্রতিদিন ছয় গ্রাম অথবা এক চা চামচের বেশি লবণ খেলে ধূমপান বা মদ্যপান বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য/পানীয় খেলে দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে। উচ্চরক্তচাপের লক্ষনঃ উচ্চ রক্তচাপের একেবারে সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ সেভাবে প্রকাশ পায় না। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে:    প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করা, মাথা গরম হয়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো ·  ঘাড় ব্যথা করা ·  বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া ·  অল্পতেই রেগে যাওয়া বা অস্থির হয়ে শরীর কাঁপতে থাকা ·  রাতে ভালো ঘুম না হওয়া ·   অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলা অন্যান্য অঙ্গে জটিলতাঃ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গে জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদযন্ত্রের পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং এর ফলে দুর্বল হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করতে না পেরে ব্যক্তির হৃতপিণ্ড কাজ বন্ধ করতে পারে বা হার্ট ফেল করতে পারে।এছাড়া, এমন সময় রক্তনালীর দেয়াল সঙ্কুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও থাকে।উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, মস্তিষ্কে স্ট্রোক বা রক্তক্ষরণও হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে। চিকিৎসাঃ এমলোডিপিন ( Amlodipin ) একটি ডাই হাইড্রোপাইরিডিন ক্যালসিয়াম বিরোধী ঔষধ, যার দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারীতা রয়েছে। এর সাথে আবার অন্য ঔষধের সংমিশ্রন করেও বাজারজাত করা হয়। যেমন – এমলোডিপিন ও এটিনোলল / এমলোডিপিন ও ওলমেসারটান / এমোডিপিন ও বিসোপ্রোলল ইত্যাদি লোসারটেন পটাশিয়ামঃ সকল প্রকার উচ্চরক্তচাপে ব্যবহার করা যায়। ২৫/৫০/১০০ মিগ্রা এর হয়ে থাকে,  সাধারণত রাতে ১টি  করে খেলেই হয়। জীবনযাপনে পরিবর্তন আর নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এজন্য কয়েকটি বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে: খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া  ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করা ওজন নিয়ন্ত্রণ করা নিয়মিত ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম করা মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কম করা মাংস, মাখন বা তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত […]

Continue Reading

মাসিক জনিত জটিল সমস্যা এন্ডোমেট্রিওসিস

এন্ডোমেট্রিওসিস একটি জটিল রোগ। মাসিকের শুরু থেকে ব্যথা শুরু হয়। মাঝামাঝি সময় প্রবল হয় এমনকি শেষ হয়ে গেলেও কিছু ব্যথা থেকে যায় কয়েক দিন। আবার পরবর্তি চক্রে এটি শুরু হয়। যেসব কারণে এমন হয় তার মধ্যে এন্ডোমেট্রিওসিস অন্যতম। এই রোগের লক্ষণঃ– ১) ব্যথার ধরনে পরিবর্তন। ২) হঠাৎ কোনো মাসে তীব্র ব্যথা বা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি […]

Continue Reading

আসলেই কি পান্তা ভাতের পুষ্টিগুন রয়েছে? চলুন জেনে নেওয়া যাক

বাঙালির ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকা এই খাবারটি সচারাচর খাওয়া না হলেও পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ এখন না হলেই নয়। বাংলা প্রবাদে আছে,” পান্তা ভাতের জল, তিন পুরুষের বল”। আসলেই কি পান্তা ভাতের পুষ্টিগুন রয়েছে? চলুন জেনে নেওয়া যাক। রান্না করা ভাত সাধারনত ৮-১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখার মাধ্যমে গাঁজন প্রক্রিয়ায় সহজ পাচ্য পান্তা ভাতে পরিনত হয়। […]

Continue Reading

স্ট্রোক কি?

স্ট্রোক কি? চিকিত্‍সা বিজ্ঞানের ভাষায় স্ট্রোককে সেরিব্রভাসকুলার একসিডেন্ট বলা হয়। আমাদের দেশে ধারণা প্রচলিত আছে যে স্ট্রোক- হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের রোগ (Heart attack)। তা কিন্তু নয়। স্ট্রোক সম্পূর্ণ মস্তিকের একটি দুর্ঘটনা বা Brain এর রক্তনালীর জটিলতাজনিত মারাত্মক একটি সমস্যা। এ দুর্ঘটনায় মস্তিকের রক্তনালী বন্ধ হতে পারে আবার ছিঁড়েও যেতে পারে। স্ট্রোক প্রধানত দুই প্রকার : […]

Continue Reading

শিশুর বিরল রোগ হেমানজিওমা

হেমানজিওমা শিশুদের একটি বিরল প্রজাতির রোগ। এটি শিশুদের জন্মের পরপরই দেখতে পাওয়া যায়। মানবদেহে রক্ত সংবহনের জন্য বিভিন্ন ধরনের রক্তনালী বিদ্যমান থাকে যা দেহের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রক্ত রক্ত সরবরাহ করে থাকে। যদি দেহের কোন কারনে অস্বাভাবিক ভাবে এসকল রক্তনালীকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তখন রক্তনালীগুলো একত্রে ঘনীভূত হয়ে লাল লাল ফুসকুড়ির মতো সৃষ্টি […]

Continue Reading

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যাভাস

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীরা বেশ অসুবিধায় পড়ে যান কারণ এই সময় তাদের খাদ্যাভাস এবং ঔষধের সময়সূচি পরিবর্তন আসে। ফলে কখনও কখনও তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে বা কমে যেতে পারে। তাই রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সঠিক ও নিয়মতান্ত্রিক খাদ্যাভাস খুবই জরুরি। তবে যাদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া ঘন ঘন হয় বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এর কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল […]

Continue Reading

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয়

পবিত্র রমজান মাসে ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, জীবনধারণ ও ওষুধের নিয়মে অনেক পরিবর্তন ঘটে৷ এক মাসের জন্য এই পরিবর্তনের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হয় ৷রোজা পালনের কারণে ডায়াবেটিক রোগীরা কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। যেমন-১. হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করা স্বল্পতা,২. হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করা অত্যধিক বেড়ে যাওয়া,৩. ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা,৪. কিটো অ্যাসিডোসিস এবং৫. থ্রম্বোসিস […]

Continue Reading