আমরা প্রস্তুত তো?

 বর্তমান প্রেক্ষাপটে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স রোধে শুধু মাএ প্রয়োজনে এর ব্যবহারকে নির্দেশ করে উপরের বাক্যটি।তবে তার আগে এন্টিবায়োটিক কী জানতে হবে। এন্টিবায়োটিক শব্দটির সাথে কম বেশি আমরা সবাই পরিচিত,সেইসাথে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স শব্দটিও আমাদের অচেনা নয়। আবিষ্কার: ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং লক্ষ্য করলেন ছএাকের উপস্থিতি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বাধাগ্রস্ত করে। ফ্লেমিং ছএাক থেকে নিংসৃত পদার্থের নাম দিলেন পেনিসিলিন। […]

Continue Reading

এন্টিবায়োটিক যখন প্রাণসংহারী

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম আবিষ্কার এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার।পৃথিবীর প্রথম এন্টিবায়োটিক  পেনিসিলিন আবিষ্কার হয় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর হাত ধরে।  এন্টিবায়োটিকঃ এন্টিবায়োটিক হলো এন্টিমাইক্রোবিয়াল ড্রাগ।এটি এমন একটি  উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা  তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার বা দৈহিক বৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।এর জন্য […]

Continue Reading

ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রে ডোসেজ রেজিমেন এর গুরুত্ব

আপনি কি জানেন চিকিৎসক আপনাকে যে ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন তার ডোসেজ রেজিমেন (যেমন, দিনে ৩ বার সেবন করতে হবে) বলতে কি বোঝায় কিংবা এরকম ভাবে কেন বলা হয়? আর এটি যথাযথভাবে মেনে না চললে কোনো রোগীর ক্ষেত্রে কি কি সমস্যা দেখা দিতে পারে?  ফার্মেসির পরিভাষায় কোনো একটি ওষুধের (যেমন : প্যারাসিটামল) ডোসেজ রেজিমেন বলতে বোঝায় […]

Continue Reading

কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিন: মহামারী মোকাবেলায় মুখ্য হাতিয়ার।

 ভ্যাক্সিন কি? আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দেহে অনুপ্রবেশকৃত বিভিন্ন অ্যান্টিজেন (যেমন: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ) ধ্বংস করার জন্য এক ধরণের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন  তৈরি করে যা অ্যান্টিবডি নামে পরিচিত। মানুষের দেহে প্রায় ১০কোটি ধরণের অ্যান্টিবডি তৈরি উৎপন্ন হতে পারে। এদের প্রতিটি একটি অপরটি থেকে ভিন্ন এবং একেকটি ধরণ কেবল মাত্র একটি নির্দিষ্ট গোত্রের ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ার […]

Continue Reading

সেরিব্রাল পালসি (সিপি)

সেরিব্রাল পালসি (সিপি) হলো এক ধরনের স্নায়বিক ভারসাম্যহীনতা যা বাচ্চাদের উন্নয়নশীল মস্তিষ্কের আঘাত বা বিকৃতির কারণে ঘটে। এটি মূলত দেহের অংশ, পেশী বা ক্রিয়াকলাপকে প্রভাবিত করে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নড়াচড়া, পেশীর সক্ষমতা, কোওর্ডিনেশন বা ভারসাম্য সব কিছুই ব্যাহত হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের প্রতি ৩২৩ জন জীবিত শিশুর মধ্যে একজন সেরিব্রাল পালসি নিয়ে জন্মগ্রহণ […]

Continue Reading